নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
বাংলাদেশ শ্রম ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নির্বাচন
শ্রমিকদের কল্যাণ, নিরাপত্তা,
এবং স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে। গ্রাম থেকে শহর সকল পর্যায়ে চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের নিরাপত্তা
ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, খাদ্য উৎপাদন ও আবাসন সুবিধা,
পেনশন ও সঞ্চয় পরিকল্পনা, বীমা সুবিধা, কল্যাণ তহবিল তৈরি, যথাসময়ে অর্থ আদায় ও আইনের
সহযোগিতা, পারিবারিক সুবিধা, দক্ষ শ্রমিকদের ঋণ প্রদান করে উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ইত্যাদি
অর্থাৎ জীবনযাত্রার মান উন্নত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন সাধন করবে।
বাংলাদেশ শ্রম
ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার রাজনীতির প্রভাবমুক্ত
থাকার কারণে গ্রাম থেকে শহর ধর্ম, দল-মত নির্বিশেষে উপযুক্ত শ্রমিকদের যথাযথ মূল্যায়ন
ও সহযোগিতা করতে পারবেন।
৪৭। ইউনিয়ন শ্রম ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নির্বাচন,
Ø তফসিল,
o
দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ‘ইউনিয়ন শ্রম ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন’ সমিতি থাকবে। ৩ বছর
পরপর ২৩ মে ইউনিয়ন শ্রম ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হবে।
o
ইউনিয়ন শ্রম ও শ্রমিক
কল্যাণ ফেডারেশনের পদসমূহ (সম্ভাব্য),
§ সভাপতি
§ সহ-সভাপতি
§ ভবিষ্যত তহবিল সম্পাদক
§ শ্রম আইন বিষয়ক সম্পাদক
§ ন্যায্য বেতন ও সুবিধা বিষয়ক সম্পাদক
§ আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সম্পাদক
§ রিসাইকেলিং ও টেকনিক্যাল শিক্ষা সম্পাদক
§ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
§ কর্মস্থলে নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ সম্পাদক
§ শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক
§ বীমা ও আয়কর সম্পাদক
§ দক্ষতা উন্নয়ন ও পরিকল্পনা সম্পাদক
§ অর্গানিক খাদ্য ও উঠান কৃষি সম্পাদক
§ স্বাধীনতা ও বিপ্লব বিষয়ক সম্পাদক
§ মহিলা উদ্যোক্তা সৃষ্টি সম্পাদক
§ সমবায় ও ব্যাংক সম্পাদক
§ পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক
§ পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক
§ বিবাদ মীমাংসা সম্পাদক
§ বিবাদ মীমাংসা সহ-সম্পাদক
§ আইনি সহায়তা সম্পাদক
§ তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক
§ পুরুষ উদ্যোক্তা সৃষ্টি সম্পাদক
§ প্রতারণা ও ভেজাল প্রতিরোধ সম্পাদক
§ সততা ও স্বচ্ছতা বিষয়ক সম্পাদক
§ নবায়নযোগ্য শক্তি বিষয়ক সম্পাদক
§ মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক উন্নয়ন সম্পাদক
§ নৈতিকতা ও মানবিকতা বিষয়ক সম্পাদক
§ মৎস্য ও প্রাণী কৃষি বিষয়ক সম্পাদক
§ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক
§ সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক
§ ভূমি ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক
§ কার্যকরী সদস্য (উপজেলা নির্বাচন অফিসের অধীনে নির্বাচিত ইউনিয়নের প্রতিটি (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদধিকার বলে ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী সদস্য পদে অধিষ্ঠিত হবেন।)
প্রার্থী,
o উপজেলা নির্বাচন অফিসের অধীনে নির্বাচিত ইউনিয়নের সকল (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।
o ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পদের সাবেক বিজয়ী বা পরবর্তীতে পরাজিত সদস্য ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।
o ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পদে সর্বোচ্চ তিন টার্ম দায়িত্ব পালন করতে পারবেন এবং ছয় টার্ম প্রার্থী হতে পারবেন।
o (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতির জয়ী ও সর্বশেষ পরাজিত প্রার্থী ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
Ø ভোটার,
o উপজেলা নির্বাচন অফিসের অধীনে নির্বাচিত ইউনিয়নের সকল (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সদস্যরা ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নির্বাচনে ভোটার হবেন।
§ প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতি (বস্ত্রশিল্প, পাটশিল্প, পরিবহন ইত্যাদি শ্রমিক কল্যাণ সমিতি) থাকবে। (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতির অধীনে এক বা একাধিক নিবন্ধিত উপ-সমিতি (এমব্রয়ডারি, পুথি, সুতা, বস্তা, ভ্যান, মিনি ট্রাক ইত্যাদি উপ-সমিতি) থাকতে পারে।
§ উপ-সমিতির নির্বাচন, নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে না বর্তমানে ন্যায় উপ-সমিতি নির্বাচন হবে। প্রতিটি (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতি ও নিবন্ধিত উপ-সমিতিতে অন্তত ৩০টি করে পদ থাকতে হবে।
§ প্রতিটি (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতি ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক নিবন্ধিত হবে। নিবন্ধনের মেয়াদ থাকবে পাঁচ বছর, প্রতি পাঁচ বছর পরপর নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। তবে সব-সমিতি নিবন্ধন নিতে পারে নাও নিতে পারে।
· ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য বা এক-তৃতীয়াংশ নিবন্ধিত উপ-সমিতির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আবেদনের পরিপেক্ষিতে (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতির নির্বাচন উপজেলা নির্বাচন অফিসের অধীনে হবে।
· (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতির মেয়াদ থাকবে তিন বছর, ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নির্বাচনের ২বছর পূর্বে (খাত) শ্রমিক কল্যাণ সমিতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
o এনআইডি কার্ডের তথ্য, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন অফিস এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে মাধ্যমে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
o তফসিল ঘোষণার ১৫ দিন পূর্বে খসড়া ভোটার তালিকা উপজেলা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
o খসড়া ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে খসরা ভোটার তালিকা প্রকাশের ৫ দিনের মধ্যে আপিল দাখিলের সময় থাকবে।
o আপিল দাখিলের পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে আপত্তি নিষ্পত্তি করা হবে এবং তফসিল ঘোষণার সাথে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা উপজেলা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
Ø ভোট কেন্দ্র,
o ইউনিয়নের শীর্ষ র্যাংকিংয়ে থাকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
o উপজেলা নির্বাচন অফিসার রিটার্নিং অফিসার, ইউনিয়ন প্রশাসন কর্মকর্তা সহকারী রিটার্নিং অফিসার, ঐ প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রিজাইডিং অফিসার এবং শিক্ষকবৃন্দ সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
Ø নির্বাচনী ফলাফল,
o ভোট গনণা শেষে কেন্দ্রের প্রতিটি কক্ষে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে, তারপর কেন্দ্রে প্রাথমিক বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
o ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সদস্যদের মধ্য থেকে তাঁদের ভোটে সভাপতি ও সহ সভাপতি নির্বাচিত হবেন। যিনি সর্বাধিক ভোট পাবেন তিনি সভাপতি এবং যিনি পরবর্তী সর্বাধিক ভোট পাবেন তিনি সহ সভাপতি নির্বাচিত হবে।
o নির্বাচনের পরের দিন সিসিটিভির ঘণ্টা ও মিনিট উল্লেখ করে অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করে প্রার্থী আপিল করতে পারবেন এবং পরবর্তী ৬ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
o যে সকল নির্বাচনী আসনে নির্বাচনের পরের দিন আপিল আসবে না, সেখানে নির্বাচন পরবর্তী ২য় দিন বিকাল ৫টার পর আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।